​কনটেন্ট টপ
ARC Group
(the Storehouse for unleashed innovativeness and creativity)
Web, Software, Multimedia and more...
প্রচার

আমরা ইংরেজি ১৯৯৭ সাল থেকে এই কাজে নিযুক্ত আছি।

এই প্রচারটা সেইসব মানুষদের উদ্দেশ্যে, যারা কোনো ব্যবসা বা যেকোনো ধরণের সেবা অথবা বিনোদন মূলক পেশায় আছেন। সেটা প্রোডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং বা সেল হোক, বা কোনো সংগঠন অথবা এনজিও, কিমবা সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা, আবৃত্তিকার, সাহিত্যিক, চিত্রকর, জ্যোতিষী, ম্যাজিশিয়ান, যা'ই হন না কেন তিনি। তাঁদের কাজকর্মকে আরও অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে নিজস্ব ওয়েবসাইট। যারা এখনও নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরী করাননি, তাঁরা ব্যাপারটা ভেবে দেখবেন।

ওয়েবপেজের ন্যূনতম খরচ প্রথম বছরে ২,১০০ টাকা, এবং দ্বিতীয় বছর থেকে প্রতি বছর ১,১০০ টাকা

প্রয়োজনে বিখ্যাত এবং সুখ্যাত কিছু ক্লায়েন্টদের নাম পাঠানো যেতে পারে, যাঁরা আমাদের কাজের গুণগত মান, নিষ্ঠা এবং তৎপরতার প্রশংসা করবেন।

ওয়েবসাইট তৈরীর সার্ভিস প্রোভাইডার অসংখ্য রয়েছেন, আমরাও তাঁদের মধ্যেই একজন, যদিও অভিজ্ঞতায় অনেকের চেয়েই সিনিয়র। কিন্তু, যেসব ওয়েবসাইট নির্মাতারা একটা মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ডে আছেন, তাঁদের সকলেরই কিছু কিছু স্পেশালিটি থাকে, যেগুলো বুঝে সঠিক নির্মাতার কাছে পৌঁছতে পারলে কাস্টমারেরই লাভ। আমাদের দিয়ে কাজ করালে কি কি বিশেষ সুবিধে পাওয়া যেতে পারে, সেগুলো, এবং আনুসঙ্গিক আরও কিছু কথা এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করে নেওয়া হলো।

১.
ভারতবর্ষে যখন প্রথম ইন্টারনেট আসে এবং ওয়েবসাইট তৈরী শুরু হয়, অর্থাৎ ১৯৯৫ সালে, আমাদের কর্ণধার শ্রী অর্ণব রায় চৌধুরী তখন থেকেই এই পেশায় যুক্ত আছেন, যদিও তখন ব্যানার আলাদা ছিলো, 'এ আর সি ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ল্ড'।
২.
এত বছরের অভিজ্ঞতার কারণে স্বভাবতঃই সারা ভারতে এবং বিদেশে নামী অনামী বহু সংস্থার এবং ইন্ডিভিজুয়াল ব্যক্তির সাইট আমরা বানিয়েছি। কর্পোরেট এবং অন্যান্য বড় বড় সেক্টরে ওয়েবসাইট প্রায় সকলেরই তৈরী হয়ে গেছে, তাই আজকাল মিডিয়াম এবং স্মল সেক্টর থেকেই আমরা অর্ডার পাই বেশি। আমাদের তাতে কোনো ক্ষতি নেই, কারণ সংস্থা বড় হলেই আমাদের কাজটাও বড় হবে, এমন কোনো কথা নেই। সবটাই নির্ভর করে কাস্টমার কোন্ প্ল্যানে থাকবেন, সাইটের স্পেসিফিকেশন কিরকম হবে, এসবের ওপরে।
৩.
ওয়েবসাইট তৈরী হয়ে যাওয়ার পর আরও কিছু অপশন আমরা দিয়ে থাকি, যেমন এ-এম-সি, এস-ই-ও, ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইটটি স্মার্টফোনে অ্যাপ্স দিয়ে খোলার জন্যে অ্যানড্রয়েড অ্যাপ, ইত্যাদি।
৪.
আমাদের কারুশিল্পগত দিকটা শক্ত হওয়ায় শিল্প-নৈপুণ্যে ভরপুর সাইটের ডিজাইন করতে আমরা পটু। চিত্রকর, সঙ্গীত শিক্ষাকেন্দ্র, সঙ্গীতশিল্পী, ম্যাজিশিয়ান, ইত্যাদিদের জন্যে আমাদের তৈরী এমন বেশ কিছু সাইট আছে, যার ডিজাইনগুলি দেখার মতো। কেউ আগ্রহী থাকলে ডেমো হিসেবে দেখানো হবে।
৫.
আমাদের প্রাইসিং (দাম) সবচেয়ে কম এমন নয়, তবে খুবই ন্যায্য এবং অনেকের থেকেই কম। বেশি টাকা খরচ করলেই যে সবসময়ে বেশি ভালো কাজ পাওয়া যায় এমন কোনো কথা নেই, সঠিক জায়গায় পৌঁছনোটাই আসল কথা। অন্যদিকে যারা খুব কম পয়সায় কাজ করে দেবার লোভ দেখায়, তাদের কাজের কোয়ালিটি অনেক সময়েই ভালো হয়না। শুধু তাই'ই নয়, অনেক ক্ষেত্রে এরা পুরোপুরি বা অল্পস্বল্প চিটিংবাজ'ও হয়। সাইট তৈরী হয়ে যাওয়ার পর নানা বাহানায় এটা ওটা করে টাকা নিতে থাকে, বলে এগুলো না করলে সাইট বন্ধ হয়ে যাবে।

যেহেতু সাইটের অ্যাড্রেসটা সবাইকে দেওয়া হয়ে যায়, চট করে এদের হাত থেকে নিস্তার পাওয়া যায়না। যাবতীয় কন্ট্রোল আবার অন্য নির্মাতার কাছে ট্রান্সফার করাটাও খুব সহজ কাজ নয়। অনেক ক্ষেত্রে এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। শেষমেশ দেখা যায় খরচ অনেক বেশিই পড়ে গেলো। আমাদের দেশে সাইবার আইন এখনও তত জোরদার নয়, এবং এরা আইন বাঁচিয়ে চলে, তাই এদের বিরুদ্ধে বিশেষ কিছু করা যায়না।

নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে বহু কাস্টমার এইভাবে অন্যত্র ঠকে আমাদের কাছে এসেছেন, যাদের সঙ্গে সরাসরি যোগযোগ করিয়ে দেওয়া যাবে তাঁদের কাহিনী শোনবার জন্যে। টাকা পুরোপুরি লোপাট করে ব্যবসা বন্ধ করে উধাও হয়ে গেছে, এমন ঘটনাও ঘটেছে তাঁদের কারো কারো জীবনে। আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। কাস্টমারের যদি টেকনিকাল নলেজ একেবারেই না থাকে, সেক্ষেত্রেও আমরা শুরুতেই প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিই, এবং কি কি বিকল্পে গেলে খরচ কমানো যেতে পারে, সেগুলোও বুঝিয়ে দিই। অনেক নির্মাতাই নিজেদের স্বার্থে এটা করেন না।
৬.
যেকোনো ধরণের ফলোআপ বা আপডেট সার্ভিস যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করে দেওয়া হয়, অনেক ক্ষেত্রে এক ঘন্টারও কম সময়ে। গুরুতর এমার্জেন্সির ক্ষেত্রে আমরা রবিবারে বা ছুটির দিনে, এমনকি বন্ধ-এর দিনেও কাজ করে দিই।
৭.
ফেসবুক পেজে অনেক লিমিটেশন থাকে, যেমন ইচ্ছেমতো ডিজাইন, লে-আউট বা কালার স্কিম করা যায়না, এবং ঘটনাচক্রে কাস্টমারের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলে বা ডি-অ্যাকটিভেটেড থাকলে তিনি ঠিকভাবে দেখতে নাও পেতে পারেন। তাই ফেসবুক পেজ কেবলমাত্র একটি বাড়তি উপকরণ হিসেবে থাকে, এটি কখনোই ডেডিকেটেড ওয়েবসাইটের বিকল্প হতে পারেনা।