এই পেজটি বিশেষ করে সেইসব মানুষ বা সংস্থার জন্য উপযুক্ত, যাঁরা ভারতবর্ষে অথবা বিদেশে যেখানেই থাকুন না কেন, সাংস্কৃতিক জগতের সঙ্গে যুক্ত । কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত, নাটক, নৃত্য, কবিতা, গদ্যসাহিত্য, অঙ্কনশিল্প, জাদু (ম্যাজিক), ইত্যাদি পেশায় যুক্ত মানুষ বা সংস্থা কিভাবে আমাদের তৈরী ভিডিও ডেমো, নিজস্ব ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল, ইত্যাদি প্রচার ব্যবস্থার মাধ্যমে বিশেষভাবে উপকৃত হতে পারেন এবং এসব কাজে আমাদের বৈশিষ্ট্য কি, সেগুলিই এই পেজের আলোচ্য বিষয় ।
​আমাদের এমন বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, যেগুলি অনেক সংস্থার কাছেই পাওয়া যায়না । ওপরের ​চারটি বাটনের মধ্যে এই বিষয়ে একটি বাটন আছে, বিশদ জানতে সেখানে ক্লিক করুন ।
লক্ষ্য করুন, এই পেজের একদম ওপরে বাঁদিকের কোণায় এইরকম চেহারার একটি মেনু আইকন দেখা যাচ্ছে, যেটি পেজের ওঠানামা সত্ত্বেও একই জায়গায় আটকে থাকছে । পেজের যেকোনো অঞ্চল থেকেই ওই আইকনে ক্লিক করলে আপনি ওপরের চারটি বাটনে আবার পৌঁছে যাবেন ।
সার্ভিস
ফিল্মমেকিং: লোকেশনে শুটিং সমেত কর্পোরেট ফিল্ম, ট্রেইনিং ফিল্ম, অ্যাডফিল্ম, ডকুমেন্টারি, শর্টফিল্ম, ইত্যাদি তৈরী করা হয়ে থাকে ।
ভিডিওগ্রাফি/ অডিওগ্রাফি: আপনার ব্যবসা, পেশা বা বিনোদনের জন্য তাক লাগিয়ে দেবার মতো সৃজনশীল ভিডিওগ্রাফি করা হয়, এবং তা অনেক ক্ষেত্রেই খুব সামান্য উপকরণ থেকে । ‘আমাদের বৈশিষ্ট্য’ অঞ্চলে এই বিষয়ে আরও বিশদ আলোচনা আছে ।
সুদৃশ্য ওয়েবসাইট: এই মাল্টিমিডিয়া সেকশনে রুচিপূর্ণ ডিজাইনের ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরী করা হয় (কাল্পনিক উদাহরণ: www.sanjaykumar.com), যা বিশেষ করে সাংস্কৃতিক জগতের মানুষদের জন্য বিশেষ উপযোগী । এখানে ব্যক্তিগত বিবরণ, সুদৃশ্য ফটো গ্যালারি, নানা ধরণের ইউটিউব ও অন্যান্য ওয়েবসাইটের লিংক, ইত্যাদি একই সাইটে একত্রিত হয়ে থাকে বলে প্রচারের সুবিধা হয় ।
গ্রাফিক্স: সর্বাধুনিক উপকরণ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক মানের লোগো/ ব্রোশিওর ডিজাইনিং, ফটো এডিটিং ইত্যাদি করা হয় ।
পেশাগত উন্নতির পরামর্শ ( কনসাল্টেনসি ): ভিডিও চ্যাট, ফোন কল, হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ, ইমেইল, যে পরিস্থিতিতে যেটা উপযুক্ত সেটা ব্যবহার করে আপনার পেশার উন্নতিকল্পে ইংরেজি, হিন্দী অথবা বাংলায় মার্কেটিং ও নেট পাবলিসিটি'র পরামর্শ প্রদান করা হয় ।
ফিল্মমেকিং সার্ভিস কেবলমাত্র ভারতে উপলব্ধ, বাকি সব বিশ্বজনীন ।
আমাদের বৈশিষ্ট্য
১.
কথার দাম এবং সময়ের মূল্য: আমরা কমিটমেন্টের ওপরে সবিশেষ জোর দিয়ে থাকি । কাজের দায়িত্ব নেবার সময়ে আলোচনার ওপর ভিত্তি করে উভয় তরফের সম্মতিতে যা যা মেনে নেওয়া হয়, পরবর্তীকালে উভয় তরফের সম্মতি ছাড়া কোনোকিছুর একচুল নড়চড় হয়না । কাজ শেষ করার যা সময় দেওয়া হয়, তার চেয়ে আগে শেষ হয়ে যেতে পারে, কিন্তু পরে কখনো নয় ।
২.
কাজের গুণগত মান: যে সমস্ত সংস্থার লোকজনেরা ভিডিও তৈরী করেন, তাঁরা অনেকেই চলচ্চিত্র-নির্মাতা (ফিল্মমেকার) নন । আমরা সেইসব কাজে অভিজ্ঞ বলে আমাদের তৈরী ভিডিওগুলির কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে । এছাড়া, আমরা আমাদের তৈরী ওয়েবসাইট, ব্রোশিওর, ইত্যাদি কাজে দৃশ্যগত সৌন্দর্য্য, অর্থাৎ অ্যাস্থেটিক্সের ওপরে বিশেষ জোর দিয়ে থাকি, কারণ, যেকোনো বস্তু দেখতে আকর্ষণীয় হলে তা অধিকাংশ মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হয় ।
৩.
তিল থেকে তাল: অনেক ক্ষেত্রেই আমরা ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে খুব কম তথ্য বা উপাদান হাতে পেয়ে ব্যতিক্রমী উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি, লেখনী, অনুবাদ ইত্যাদি এবং নানা ধরণের বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে আমাদের তৈরী ভিডিও, ওয়েবসাইট, ইত্যাদি কাজগুলিকে সুদৃশ্য, চিত্তাকর্ষক এবং তথ্যসমৃদ্ধ করে উপস্থাপিত করি ।
উদাহরণস্বরূপ, ভিডিওর ক্ষেত্রে আপনি হয়ত সাধারণ ফোনে বা ক্যামেরায় তোলা কিছু ছবি বা আপনার ফোনে অথবা ল্যাপটপে কিমবা কম্পিউটারে রেকর্ড করা কোনো লেকচার বা টিউটোরিয়াল অথবা হয়ত আবৃত্তি করা কোনো কবিতা পাঠালেন, যা থেকে আপনি পেয়ে যাবেন পুরোপুরি সিনেমাটিক স্টাইলে তৈরী করা রুচিপূর্ণ নানা ধরণের এফেক্টস সমৃদ্ধ একটি ভিডিও । আমাদের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি, চমৎকার ভিডিও তৈরী করতেও অনেক ক্ষেত্রেই প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি বা হাই ফাইডেলিটি সাউন্ডের প্রয়োজন হয়না, আমরা যান্ত্রিকভাবে কোয়ালিটি বাড়িয়ে দিই । গানের ক্ষেত্রে, যন্ত্রানুসঙ্গ সহযোগে রেকর্ড করা গান পাঠালে তার সঙ্গে মানানসই ভিডিও বা সিনারি এবং ক্রেডিট টাইটেল, ক্যাপশন, ইত্যাদি সমেত তৈরী হয়ে যাবে জমজমাট ভিডিও । অডিওগ্রাফির ক্ষেত্রে অডিও ফাইলকে নানাভাবে কাটছাঁট, একত্রীকরণ, আওয়াজ কমবেশি করা এবং নানা ধরণের এফেক্ট জুড়ে দেওয়ার কাজ করা হয় । ওয়েবসাইট তৈরীর ক্ষেত্রে এমনও ঘটে, যেখানে হয়ত ক্লায়েন্ট আমাদের শুধু তাঁর একটি ভিজিটিং কার্ড দিয়ে চলে যান, আমরা সেটির থেকে কেবলমাত্র নাম, ঠিকানা, লোগো, ইত্যাদি সংগ্রহই করিনা, তাঁর ব্যবসার বিষয়ের ওপরে গুগল থেকে পড়াশোনা করে এমনভাবে তাঁর কাজের বর্ণনা তৈরী করে দিই, যেটি পড়ে তিনি নিজেও অবাক হয়ে যান ।
৪.
আপডেট ও এডিটিং: কোনো কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন বা এডিটিং বা আপডেট করার প্রয়োজন হলে আমরা যথাশীঘ্র সম্ভব তা করে দিই, অনেক ক্ষেত্রে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই । কিছু কিছু কাজ তৎক্ষণাৎও হয়ে যায় ।
৫.
ন্যায্য মূল্য ও সঠিক পরামর্শ: আমাদের মূল্যতালিকার অঙ্কগুলি বাজারদরের হিসেবে খুব কমও নয়, খুব বেশিও নয় । আমরা ন্যায্য মূল্যে কাজ করি । চেষ্টা করি মূল্য যথাসম্ভব কম রাখতে, কিন্তু এটাও ঠিক, যে, কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে হলে একটা মূল্যসূচকের নিচে নামা যায়না ।
আমাদের কাজের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, ক্রেতা জানতে আগ্রহী থাকলে আমরা সহজ ভাষায় যেকোনো কাজের টেকনিকাল তথ্য, কস্টিং, ব্রেকআপ, ইত্যাদি পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিই যাতে ক্রেতা বুঝতে পারেন তিনি ঠকে যাননি, এবং কোন্ কাজ বাবদ তিনি কত খরচ করলেন । আরও কম খরচে করা যায় কিনা এবং তা করলে কি কি অসুবিধে হতে পারে, সেগুলিও বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যেটা অনেক সংস্থাই করেননা । তবে, এগুলি সবই করা হয় কেবলমাত্র প্রকৃত ক্লায়েন্টদের ক্ষেত্রে, অর্থাৎ, যাঁরা আমাদের দিয়ে কাজ করতে চলেছেন । যেকোনো অপরিচিত ব্যক্তি শুধুমাত্র অনুসন্ধান করতে চাইলে সবকিছু বলা হয়না, এগুলি কিছু পরিস্থিতি সাপেক্ষ ।
৬.
কিস্তি পেমেন্ট: বড় অঙ্কের মূল্যের কাজের ক্ষেত্রে কিছু শর্তাবলী সাপেক্ষে কিস্তিতে (ইনস্টলমেন্টে) পেমেন্ট করার ঐচ্ছিক (অপশনাল) ব্যবস্থা থাকে ।
খরচাপাতি
ফিল্মমেকিং: পরিস্থিতির ফারাকে খরচের প্রচুর হেরফের হয়ে থাকে, তবে সর্বনিম্ন ক্ষেত্রে কনট্র্যাক্ট পিছু ২০,০০০ টাকা লাগে, যার অর্ধেক আগাম দিতে হয়, আর বাকিটা কাজ শেষ হবার পর । কাজটি পশ্চিমবঙ্গের বাইরে হলে অথবা এসপ্ল্যানেড থেকে ৩০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে হলে যাতায়াত এবং থাকা খাওয়ার খরচ আলাদা দিতে হয় ।
ভিডিওগ্রাফি/ অডিওগ্রাফি: ভিডিওর দৈর্ঘ্য, খুঁটিনাটি এবং অন্যান্য নানা কারণে খরচের হেরফের হয়, তবে অধিকতর ক্ষেত্রে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের একটি ভিডিও করাতে ৩০ মার্কিন ডলার অথবা ২,০০০ ভারতীয় টাকা লাগে । দীর্ঘতর ভিডিওর ক্ষেত্রে অন্যান্য আরও অপশন আছে । অর্ধেক টাকা আগাম পাঠাতে হয়, এবং কাজ শেষ হয়ে গেলে ডেলিভারির আগেই পুরো পেমেন্ট করে দিতে হয় । সর্বভারতীয় এবং বিদেশী ক্লায়েন্টদের ক্ষেত্রে ভিডিওটি তৈরী হয়ে যাওয়ার পর সামান্য কিছু অংশ সাময়িকভাবে একটি অস্থায়ী লোকেশনে আপলোড করে দেখিয়ে দেওয়া হয় । অডিওর কাজের খরচ মোটামুটিভাবে ভিডিওর কাজের আনুপাতিকভাবে অর্ধেক ।
সুদৃশ্য ওয়েবসাইট: এই লেখাগুলির নিচে এবং ওপরে অবস্থিত বাটনে ক্লিক করে আমাদের এআরসি গ্রুপের মূল সাইটে গেলে ওয়েবসাইট তৈরীর খরচ সম্পর্কে ধারণা করা যাবে ।
গ্রাফিক্স: গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে কাজের ধরণ, পরিমাপ এবং কার্য্যকরী খুঁটিনাটির ওপর নির্ভর করে খরচের হেরফের সবচেয়ে বেশি হয় । একটি খুব সাধারণ কাজের জন্য খরচ হতে পারে মাত্র ৪ (চার) মার্কিন ডলার বা ২৫০ ভারতীয় টাকা, অন্যদিকে ভারী কাজের ক্ষেত্রে ৮০০ মার্কিন ডলার বা ৫০,০০০ ভারতীয় টাকা বা তারও বেশি খরচ হতে পারে ।
পেশাগত উন্নতির পরামর্শ ( কনসাল্টেনসি ): ​পরিস্থিতির প্রভেদে এককালীন ৮ মার্কিন ডলার (৫০০ টাকা) অথবা ১৬ মার্কিন ডলার (১,০০০ টাকা) । ক্ষেত্রবিশেষে সামনা-সামনি সাক্ষাৎকারও দেওয়া হয়ে থাকে ।
যোগাযোগ
ইংরেজি, বাংলা অথবা হিন্দীতে আমাদের লিখতে নীচের লিঙ্কে যান: